SEO Tutorial লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
SEO Tutorial লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
SEO কি? সার্চ ইঞ্জিন (SE) কিভাবে কাজ করে?

SEO কি? সার্চ ইঞ্জিন (SE) কিভাবে কাজ করে?

SEO কি? সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে? 

এসইও কি?

SEO কি? সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে?
SEO মানে ‍Search Engine Optimization। বর্তমান বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষ তার প্রয়োজনীয় তথ্য খুজে পেতে গুগলে সার্চ করে। গুগল তখন তার সার্চ রেজাল্ট পেজে অনেকগুলো সাইটের ফলাফল প্রদর্শন করে। কোনটি প্রথমে কোন ওয়েবসাইটের নাম হয়ত প্রদর্শন করে ২নং পেজে। যেটি প্রথমে দেখা যাচ্ছে সেটি প্রথমে দেখাচ্ছে কারন সেটিকে এসইও করা হয়েছে। কোন ওয়েবসাইটকে সার্চের প্রথমে প্রদর্শন করার জন্য যে প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হয়, সেটিকে এসইও বলে।
যখন আপনার ওয়েবসাইট সার্চের প্রথমে থাকবে তখন ওয়েবসাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি পায়। আর ভিজিটর বৃদ্ধি হলে ইনকামও বৃদ্ধি পায়। ধরুন, আপনি গ্রাফিকস কোর্স করবেন, সেজন্য ট্রেনিং সেন্টার খুজছেন। তাহলে হয়ত আপনি গুগলে লিখবেন graphics training in Bangladesh। তখন সার্চের প্রথমে দেখবেন আমাদের ট্রেনিং সেন্টার ক্রিয়েটিভ আইটি ইনস্টিটিউটের নাম। আর এটি দেখে হয়ত আমাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে কেউ প্রবেশ করল, এরপর এখান থেকে তথ্য পেয়ে পছন্দ হলে এখানে এসে কোর্সে ভর্তি হয়। এটি হল এসইওর ফযিলত। 

সার্চ ইঞ্জিন কী :
আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় যেকোন বিষয়ের তথ্য জানতে হলে ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে থাকি। তখন সারা বিশ্বের যত ওয়েবসাইটে এ ব্যপারে যেকোন তথ্য আছে, সব আমাদের সামনে চলে আসে। এ বিষয়গুলো জানার এসব উৎসকে সার্চ ইঞ্জিন (search engine) বলে। বিখ্যাত কয়েকটি সার্চ ইঞ্জিনের নাম হলোঃ গুগল (google), ইয়াহু (yahoo),বিং(bing) ইত্যাদি। 


এই সব সাইটে আপনি একটি শব্দ সার্চ বক্সে লিখে সার্চ বাটনে ক্লিক করলে, কয়েক সেকেন্ড এর মধ্য অনেক ওয়েবসাইটের লিংক চলে আসে, যেসব লিংকে গেলে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যায়।

সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে :
সার্চ ইঞ্জিনগুলো তৈরি হয়েছে, মানুষের তথ্য থুজে পাওয়ার জন্য। সেজন্য কোন কিছু সার্চ দিলে যাতে সবচাইতে সেরা তথ্য খুজে পাওয়া যায় সেজন্য সার্চইঞ্জিন সাইটগুলো কিছু পোগ্রাম তৈরি করে রাখে। যেটি সকল সাইটগুলোর মধ্যে কিছু বিষয় তুলনা করে সেরা সাইটগুলোকে সার্চের সামনে নিয়ে আসে। সেরা সাইট নির্বাচন করার জন্য তারা দেখে ওয়েবসাইটটির মানসম্মত কিনা, ওয়েবসাইটের তথ্য সকলের জন্য প্রয়োজনীয় কিনা, ওয়েভসাইটটি কেমন জনপ্রিয়। এগুলোসহ আরও কিছু বিষয় নিয়ে ফলাফল প্রদর্শন করে। 


সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং ক্ষেত্রে কেন এত গুরুত্বপূর্ণ :
ওয়েবসাইট তৈরি হয় কোম্পানীর পণ্যের প্রসারের জন্য। যতবেশি মানুষ আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিট করবে, ততমানুষ আপনার পণ্য সম্পর্কে কিংবা সার্ভিস সম্পর্কে ধারণা পাবে। সার্চ ইঞ্জিন কোন একটি ওয়েভ সাইটে ভিজিটরের প্রধান উৎস। শতকরা ৮০% ভিজিটর সার্চ ইঞ্জিন মাধ্যমে কোন ওয়েব সাইটে আসে। ভবিষ্যতে এটি আরও বাড়বে। বিভিন্ন কারণে সার্চ ইঞ্জিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ক) যেকোন ওয়েবসাইটের বেশীর ভাগ ভিজিটর সার্চ ইঞ্জিনে থেকে আসে। প্রতি মাসে প্রায় বিলিয়ন বিলিয়ন সার্চ হয়। United States এ এক জরিপে দেখা গেছে প্রতি মাসে কমপক্ষে ১০ বিলিয়ন সার্চ হয়। (সূএ : com score.2008)
গ) অনেকে জানেনা তাদের প্রয়োজনীয় কোন তথ্য কোথায় পাওয়া যাবে।সে জন্য তারা সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে সে বিষয় লিখে সার্চ করে। তখন প্রয়োজনীয় সাইটের লিস্ট তাদের কাছে চলে আসে।
ঘ) বিনামুল্যে যেকোন তথ্য খুজে পাওয়া যায়, সেজন্য সবাই এটি ব্যবহার করে।
ঙ) সকল তথ্যে বিশাল ভান্ডার হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন। সেজন্য দিনে দিনে এটির উপর সবার নির্ভরশীলতা দিনে দিনে বাড়ছে।
চ) যেহেতু তথ্য খুজে পেতে সবাই সার্চইঞ্জিনের সাহায্য নিয়ে থাকে, সেজন্য সকল কোম্পানী তাদের পণ্যের প্রচারের জন্য সনাতনী পদ্ধতি ছেড়ে দিয়ে সার্চ ইঞ্জিনের সার্চের প্রথমে তাদের কোম্পানীর ওয়েবসাইটকে রাখতে চায়।
জ) মার্কেটিংয়ের সনাতনী সকল পদ্ধতিগুলো ব্যয়বহুল এবং বর্তমানযুগে কম কাযকরী। অন্যদিকে SEO তে খরচ কম কিন্তু আগের পদ্ধতির চাইতে কমপক্ষে ৬০ভাগ বেশি কাযকরী।

ক্যারিয়ার হিসাবে SEO:
বাংলাদেশে যারা আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ইনকাম করে তাদের বেশিরভাগ এসইও এর মাধ্যমে আয় করে। কারন বাংলাদেশে দক্ষ জনশক্তি কম। সাধারণত যাদের কম্পিউটার সম্পর্কে সাধারন ধারনা আছে, ইংরেজীতে মোটামুটি পারদর্শী, ওয়েবসাইট ভিজিট করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন তারা অতি সহজে এসইও এর কাজে পারদর্শী হতে পারেন। কোন প্রোগ্রামিং ভাষা জানার তেমন দরকার নাই বিধায় এই কাজ অতি সহজে রপ্ত করে দ্রুত কাজ শুরু করা যায় বলে বিশ্বব্যাপী এই কাজে নিয়োজিত আছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ।

১)বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসগুলোতে (odesk.com, freelancer.com ইত্যাদি)ভিজিট করলে দেখা যায়, এসইওর কাজ সবচাইতে বেশি।
২) নিজের একটি ব্লগ সাইটখুলে সেটিকে এসইও করে গুগলের প্রথমদিকে আনতে পারলে যদি ভিজিটর বৃদ্ধি পায় তাহলে অ্যাডসেন্স কিংবা এ ধরনের আরও অনেক বিজ্ঞাপনী সার্ভিসের মাধ্যমে ভাল আয় করা যায়। এপদ্ধতিতে সাধারণত মাসে ১০০ ডলার থেকে ১০০০ডলারের মত আয় করা যায়।
৩) অ্যাফিলিয়েশন্সের আয়ের জন্য প্রধান শর্ত হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটের প্রচুর পরিমানে টার্গেটেড ভিজিটর। আর ভিজিটর আনতে হলে এসইও করতেই হবে। আউটসোর্সিংয়ের এ কাজের মাধ্যমে মাসে আয় করা যায় সাধারণত ৩০০ -২০০০ ডলার।
৪) এসইওর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট গুগলের প্রথমে আনতে পারলে এবং ভিজিটর প্রচুর পরিমানে ওয়েবসাইটে আসলে বিভিন্ন লোকাল কোম্পানীর বিজ্ঞাপন আপনার ওয়েভসাইটে ব্যবহার করে মাসে ৩০০০০ টাকা থেকে ৫লাখ টাকাও আয় করতে পারবেন। যেমন টেকটিউনসে কোন প্রকার অ্যাডসেন্স ব্যবহার করা হয়না। এখানের আয় সম্পূর্ণ লোকাল বিজ্ঞাপন।
৫) এসইও শিখার আরও গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে, এসইও কোর্স একটি কিন্তু আয় করা সেক্টর অনেকগুলো। যেমনঃ ফোরাম টিউনিং কিংবা ব্লগ টিউমেন্টিং কিংবা কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কেংবা পুরো এসইও করে আয় করা যায়।
৬) প্রতিদিন মাত্র ২-৩ ঘন্টা সময় দিয়ে এসইও করা যায়। সেজন্য অন্য চাকুরী পাশাপাশি এটি শিখে আয় করা সম্ভব।
SEO Tutorial (Content Tips)

SEO Tutorial (Content Tips)

 SEO Tutorial (Content Tips)

আপনার সাইটকে রাখুন গুনগত মানসম্পন্ন যেমন কনটেন্ট বা যেকোন সার্ভিস সবার থেকে আলাদা,সৃজনশীল এবং উন্নত করুন। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে আপনি সাইট তৈরী করবেন মানুষের জন্য যা হবে উপকারী,সার্চ ইন্জিনের জন্য নয়। আপনার সাইটে যদি ভাল রিসোর্স/কনটেন্ট থাকে তাহলে কোন ইউজার একবার এই সাইটে ঢুকলে দেখবেন যে সে এই সাইট বুকমার্ক দিয়ে রাখবে সাথে অন্যকেও এই সাইটের খবর দিয়ে দিবে। যেমন w3schools সাইটের কথা যদি ধরেন তাহলে দেখবেন বাংলাদেশের এমন কোন ব্লগ, ফোরাম বা ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কিত সাইট নেই যেখানে এই সাইটের লিংক নেই্। কারন তাদের কনটেন্টগুলি ভাল এবং উন্নতমানের। এই যে এই সাইটের লিংক সব সাইটে আছে এটা কিন্তু w3schools থেকে কেউ এসে দিয়ে যায়নি, যারা দেয় তাদের কোন অর্থ এই সাইট থেকে দেয়না একমাত্র কারন তাদের গুনগত কনটেন্ট। তাছাড়া মুখে মুখেও ছড়ায়।

কখনই অন্যের সাইট থেকে কিছু কপি করে নিজের সাইটে দিবেননা। বরং সবার আলাদা তবে উপভোগ্য এমনভাবে কনটেন্ট দিন। নতুন কোন সেবা বা আইডিয়া যদি পারেন তাহলে তা প্রয়োগ করতে পারেন।

সাইটের নামে ফেসবুকে পেজ খুলতে পারেন,এতে প্রচুর ট্রাফিক পাওয়া যায়। একজন এই পেজ লাইক করলে তার যত ফ্রেন্ড আছে সবাই এই খবর পেয়ে যায় এভাবে ছড়ায়।

সুন্দর করে সাজিয়ে আর্টিকেল লিখুন, যেখানে শিরোনাম থাকবে আর যত পারেন প্যারা বেশি দিন এতে করে পড়ার ধের্য্য বাড়ে। আর্টিকেল বড় না করে ছোট ছোট রাখুন-লক্ষ্য করে দেখবেন w3schools বা আমরাও আর্টিকেল ছোট রাখার চেষ্টা করেছি। অপরদিকে tizag সাইটে দেখবেন অনেক ভাল জিনিস আছে কিন্তু আর্টিকেলগুলি এতই বড় যে সাইটে ঢুকতেই ইচ্ছা করেনা বরং পড়তে বিরক্ত লাগে। অথচ অনেক ক্ষেত্রে w3schools এর চেয়ে tizag এ বেশি তথ্য আছে তবু এই সাইটের নামই অনেকে জানেনা।

লেখা একটু বড় রাখুন যেমন ইংরেজি সাইট হলে ১৩/১৪ ফন্ট আর বাংলা হলে ১৫/১৬,লেখা ছোট ছোট হলে ইউজার আর সাইটে ঢুকতে চায়না কারন পড়তে চোখ যেন বের করে নিয়ে আসতে হয়।
SEO-Keyword Search

SEO-Keyword Search


SEO Tutorial Bangla-Keyword Research


কেন করবেন keyword research?

১. কারণ মানুষ keyword ব্যবহার করে তাদের প্রয়োজনীয় সমাধান খোজে,
২. SE চায় সবসময় best result দেখাতে
৩. আপনার জানা উচিৎ কোন ধরনের keyword বেশি খোজা হচ্ছে
৪. সবথেকে প্রধান কারণ হল, keyword research tools আপনাকে সাহায্য করে এটা জানার জন্য যে, ওয়েবে কি খোজা হচ্ছে এবং কি খোজা হচ্ছে না

keyword research এর জন্য অনেক ধরনের tools আছে। তার মধ্যে word tracker, keyword discovery, google Ad words etc অন্যতম। অধিকাংশ মানুষ google ad words ব্যবহার করে - এটা অনেক দ্রুত ও বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়।

Keyword Research এর নিয়ম:

আসলে এটার কোন ধরাবাধা নিয়ম নেই, বাজারে অনেক paid tool পাওয়া যায়, যা দিয়ে খুব সহজ ভাবে সঠিক keyword select করা যায়। কিন্তু আমরা যেহেতু ঐসব paid tools ব্যবহার করব না, তাই আমাদের keyword research এর basic procedure জানা উচিৎ। Keyword Research এর সময় ৭টা জিনিস বিবেচনা করা উচিৎ-

১. Brainstorming (কোন বিষয়ে চিন্তা করা)
আমার Target Market কে এবং ঐ বিষয়ের উপর কোন keyword নিয়ে চিন্তা করা এবং লক্ষ করা যে, আমি কি স্থানীয়ভাবে না দেশের ভিতরে, নাকি সারা বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগীতা করতে চাচ্ছি। আমার target market এর উপর কি লিঙ্গ, বয়স ঐ দেশের Income এর কোন যোগসূত্র আছে, যদি থাকে তাহলে এটা কিভাবে আমার desired keyword এর উপর প্রভাব ফেলতে পারে। যেমন: আপনার যদি একটি Furniture এর দোকান থাকে শুধুমাত্র একটি জেলাতে তাহলে আপনার keyword হতে পারে "Khulna Furniture" আবার আপনার যদি Otobi এর মত একটি প্রতিষ্ঠান থাকে তাহলে আপনাকে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চিন্তা করতে হবে।

সঠিক keyword selection এর জন্য আপনি আরো যে কাজ করতে পারেন, তা হল আপনি আপনার target customer, sales people, friend

and relatives দের জিজ্ঞাসা করতে পারেন তারা ঐ বিষয়ে search করতে হলে কোন wordটা বাছাই করত। এমনও হতে পারে, আপনি যে technical terms চিন্তা করছেন, তাদের সাথে তা নাও মিলতে পারে। আপনি আপনার বিষয় সম্পর্কিত বিভিন্ন Online forum/blogs visit করতে পারেন। আপনি আপনার Competitors এর ওয়েবসাইট visit করে সেখান থেকে ধারনা নিতে সে কি করছে, কোন ধরনের keyword ব্যবহার করছে ইত্যাদি। তারপর আপনার idea গুলো একটা কাগজে লিখে রাখুন।

২. keyword গুলোকে বিভিন্ন বিষয়ানুযায়ী ভাগ করা
আপনার product অথবা service অনুযায়ী একের অধিক keyword set তৈরি করুন। অনেক সময় এই step টা সঠিক ভাবে করা সম্ভব নাও হতে পারে, কারন আপনি যতক্ষণ না keyword research করছেন, ততক্ষণ আপনি জানতে পারবেন না, অন্যরা কোন ধরনের search term ব্যবহার করছে। তাই অনেক সময় এই ধাপটা research এর আগেও করা হয়। যখন যেভাবে সুবিধা হয়।

৩. research করা
keyword research করার জন্য আপনি keyword research tools ব্যবহার করতে পারেন।
যে কোন ক্যাটাগরি একটা seed phrase পছন্দ করুন ।
অথবা যদি আপনার একটি ওয়েবসাইট থেকে থাকে, তাহলে আপনি সরাসরি google keyword research tool এ আপনার desired url টি প্রবেশ করান।

৪. compile বা সংকলন করা
এখন keyword research tools থেকে Export spreadsheet করুন।
যদি প্রয়োজন মনে করেন তাহলে keyword গুলোকে Re-categorize করতে পারেন

৫. remove বা অপসারণ করা
spreadsheet খোলা থাকা অবস্থায় কোন non-relevant phrases বাদ দিতে পারেন।
যেসব keyword এর search count low সেগুলো বাদ দিন। এক্ষেত্রে অবশ্যই সর্তকতা অবলম্বন করুন। দরকার হলে আপনার ক্লায়েন্টকে জিজ্ঞাসা করুন।

৬. Determine Competitiveness
এখানে আপনার সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, আপনি কি অনেক বেশী প্রতিযোগীতা চান নাকি অল্প। প্রতিটা Phrase এর একটি আলাদা আলাদা competitiveness আছে। এখন আপনি যদি সবাই যে phrase এর পিছনে দৌড়াচ্ছে, আপনিও তার পিছনে গেলে আপনার জন্য target achieve করা কঠিন হয়ে যাবে। তাই এমন keyword ঠিক করতে হবে যা থেকে প্রয়োজনীয় ভিজিটর পাওয়া যাবে, আবার প্রতিযোগীতাও কম থাকবে।
Competitiveness অনুযায়ী phrase গুলোকে ৩ভাগে ভাগ করা যায়:

highly competitive
fairly competitive
non-competitive
৭. সঠিক keyword select করুন
এই ধাপগুলো শেষ হয়ে গেলে আপনি খুব সহজেই আপনার keyword গুলো পছন্দ করতে পারবেন। keyword select করার সময় নিচের বিষয়গুলোর উপর লক্ষ্য রাখুন: 

number of searches
relevancy to your web site (ওয়েবসাইটের সাথে প্রাসঙ্গিক কিনা)
competitiveness level

এবার আসুন গত পর্বে দেখানো নিয়মানুযায়ী keyword research শুরু করি। এখানে আমি উদাহরণ হিসেবে যে, ছবিগুলো ব্যবহার করেছি, তা Jill Whalen নামক একজন Seo Trainer এর keyword research থেকে নেয়া হয়েছে। উনি lynda এর video tutorial করেছেন।

প্রথমে একটি word file এ আপনার ওয়েবসাইটটি যে সার্ভিস প্রোভাইড করে তা লিখুন এবং তারপর আপনার ওয়েবসাইটের Goal লিখে ফেলুন। সাথে আরো লিখুন, Brainstorming এর মাধ্যমে আমরা যে phrase গুলো পেয়েছি সেগুলো। উদাহরণ হিসেবে দেয়া ছবির, text টুকু পড়ুন। তাহলেই বুঝতে পারবেন আমরা যে ওয়েবসাইট নিয়ে কাজ করব সেটার মেইন উদ্দেশ্য হল Amazon Kindle এর বিভিন্ন product review করা, এদের সর্ম্পকে বিভিন্ন তথ্য দেয়া এবং সেই সাথে এই product গুলা বিক্রি করা amazon's affilliate program এর মাধ্যমে। এবার আমরা ছবিতে দেখানো url এ প্রবেশ করি অর্থাৎ google adwords tool এ প্রবেশ করি। red marked অংশগুলো লক্ষ করুন। বামপাশে দেখানো website content এর radio button টি click করলে, আমরা আমাদের ওয়েবসাইটের link ডানপাশে মার্ক করা অংশে দিতে পারব। এখান থেকে আমরা বিভিন্ন keyword phrase সর্ম্পকে ধারনা পেতে পারি।

যেহেতু আমরা brainstorming এর মাধ্যমে কিছু phrase আগে থেকে ঠিক করে রাখছি। তাই আমরা Descriptive words or phrases option select করে ডান পাশে মার্ক করা অংশে আমাদের keyword গুলো পেস্ট করে দিব। তারপর Use synonyms এ টিক দিয়ে Get keyword ideas এ click করুন। নিচের দিকে scroll করুন তাহলে নিচের মত একটি list দেখতে পাব। তারপর Broad Match থেকে Exact Match সিলেক্ট করুন। তাহলে আমরা নির্দিষ্ট phrase এর জন্য result দেখতে পাব।


তারপর নিচের ছবির মত Choose columns to display থেকে Hide Advertiser competition এবং hide local search volume এ ক্লিক করি। তাহলে আমাদের screen টা নিচের মত দেখতে হবে। এখানে এই দুইটা hide করব কারন আমরা আমাদের মত করে keyword research করব।




এখন নিচের দিকে স্ক্রল করে csv for excel এ ক্লিক করে। এই ফাইলটা excel আকারে save করে নিন। এই ফাইলের মাধ্যমে আমরা পরবর্তীতে, খুব সহজেই কাজ করতে পারব।






গুগলের ad word টুলটা খুবই সাহায্যকারী যার মাধ্যমে আমরা প্রচুর পরিমাণে ডাটা research এর জন্য পেতে পারি। অবশ্য এই টুলটা এমন অনেক অপ্রয়োজনীয় keyword ও আমাদের দেয়, যার সরাসরি আমাদের সাইটের সাথে কোন যোগাযোগ নাও থাকতে পারে।

excel sheet open করুন এবং নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন এই keyword টা আমার সাইটের জন্য যথোপযুক্ত অথবা কেউ যদি search engine এ এই keyword টা প্রবেশ করায় তাহলে সেকি আমার সাইটটা খুজে পাবে। যদি আমার সাইটটা কেউ search engine এর মাধ্যমে খুজে পায়, তাহলে আমি কি তাদের প্রয়োজনমত information অথবা service দিতে পারছি বা পারবো। তারপর সেই সমস্ত phrase গুলো খুজে বের করুন, যে word গুলো আপনার ওয়েবসাইটের সাথে related না এবং সেগুলো বাদ দিন।


যেমন দেখুন এখানে আমরা উদাহরণ হিসেবে যে সাইটটা ব্যবহার করছি তার সাথে kindle, ebook reader, book reviews ইত্যাদি শব্দগুলো related কিন্তু দেখুন একদম শেষে kindled শব্দটি related নয়, তাই আমরা এটিকে বাদ দিব।


এভাবে সমস্ত irrelevant word গুলো বাদ দিন এবং সবশেষে Excel sheet টা সেভ করুন।

এখন আমাদের কাজ হবে, যে sheet টা আমরা সেভ করছি ঐটা open করা এবং এখান কিছু highly related keyword select করা এবং phrase গুলো যেন বিভিন্ন category তে ভাগ করা যায়। এখন ধরুন আমরা 'electronic book reader' phrase টা নির্বাচন করলাম যা আমাদের ওয়েবসাইটের বিষয়ের সাথে highly related.


এখন আমরা এই keyword copy করে আগের পর্বে দেখানো নিয়মানুযায়ী google adword tool এর মাধ্যমে আমরা electronic book reader phrase টার সাথে related অন্যান্য phrase গুলো এবং search এর পরিমাণ বের করব এবং তারপর আগের নিয়মে excel sheet save করব এবং অপ্রয়োজনীয় keyword গুলো বাদ দিব।



তারপর আমরা একটা excel এ এই ফাইলগুলোকে sheet আকারে রাখব এতে করে কাজ করতে অনেক সুবিধা হবে। প্রথম ফাইলটা General Keywords নামে একটা sheet এ সেভ করুন এবং ২য় ফাইলটা electronic book reader নামক একটা sheet এ সেভ করুন।


এভাবে করে আরো কয়েকটি category (highly related) নির্বাচন করে, google adword tool এর মাধ্যমে আপনার সাইটের সাথে related keyword গুলো বাছাই করুন এবং excel এ sheet আকারে সেভ করুন।


আমাদের সেভ করা last ফাইলটা ওপেন করুন, যেখানে আমাদের keyword এবং monthly search volume আছে। এখন আমাদের কাজ হবে, বিভিন্ন keyword এর competitiveness বের করা। এখানে আমরা competetiveness অর্থ বলতে পারি যে, একটা keyword optimize করা সহজ নাকি কঠিন সেটা


 

 বুঝায়। আরও বিস্তারিতভাবে বলতে পারি, ঐ keyword টার জন্য ওয়েবে কতগুলো পেজ প্রতিযোগীতা করছে। কাজেই প্রতিযোগী যত বেশি হবে, ঐ keywordটা optimize করা তত কঠিন হবে। তাই আমাদের এমন keyword নির্বাচন করতে হবে, যে keyword এর প্রতিযোগী কম, কিন্তু search বেশি।





SEO Tutorial Bangla

SEO Tutorial Bangla


SEO কী? SEO কেন ব্যবহার করা হয়?

SEO সম্পর্কিত অনেক টিউটোরিয়ালই আছে, কিন্তু সেগুলোর অধিকাংশ ইংরাজীতে হওয়ায় অনেকেরই ঠিকমতো বুঝতে অনেক সমস্যা হয়। বাংলাতে SEO বিষয়ে যে পোস্টগুলো আছে, তার প্রায়ই সবই Entry Level এর। তাই আমি চেষ্টা করব আপনাদের Entry level থেকে Advance level এর SEO সম্পর্কে ধারনা দেয়ার, যদিও Basic rules গুলো একই। তাই seo এর জন্য Fundamental rules গুলো জানা খুব জরুরী। Seo এমন একটি বিষয় যে বিষয়ে Knowledge share করার মাধ্যমেই সঠিক জ্ঞানার্জন করা সম্ভব। আর আমার লেখায় যদি কোন শব্দের অর্থ বুঝতে সমস্যা হয়, তাহলে গুগল করতে পারেন বা আমাকেও জানাতে পারেন। অনেক কথা বলে ফেললাম চলুন মূল প্রসঙ্গে যাই। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) কি এবং কেন ব্যবহার করা হয়?

২ধরনের search result আছে।

 1. Oraganic ও
 2. Paid.

আমরা এখানে organic search result নিয়ে কথা বলব। কারন এটা Free আর paid search result এ তো টাকা খরচ করলেই Ad দেওয়া যায়। প্রথমেই আমাদের জানা উচিৎ search কিভাবে কাজ করে? search engine প্রধানত দুইটা component নিয়ে কাজ করে:

Crawler - এটা প্রধানত বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে Information Collect করে (spider, robot/bot মাধ্যমে) এখানে Search Engine or SE প্রধানত যেকোন link কে follow করে তারপর তথ্য সংগ্রহ করে এবং তাদের ডাটাবেসএ সেই তথ্য সংরক্ষণ করে।

Algorithm - এখানে search engine প্রাপ্ত information গুলো বিশ্লেষণ করে, বিভিন্ন page এর content এর relevancy ও quality অনুযায়ী ranking প্রদান করে। SE এর Algorithm অনেক factor এর উপর নির্ভর করে।

SEO কি?

seo - search engine optimization. বাংলাতে সংজ্ঞা দিলে বলা যায়, seo হল কিছু নিয়মনীতি/টেকনিক যার মাধ্যমে কোন একটা ওয়েবসাইট বিভিন্ন ধরনের সার্চ ইঞ্জিন (google, msn, yahoo etc) থেকে বেশি পরিমাণে ভিজিটর/ট্র্যাফিক পেতে পারে। আসলে, seo এর মাধ্যমে যে কোন ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিন এর প্রথমে পাতায় আনতে পারলে, ভিজিটর পাওয়ার সম্ভাবনাও অনেকাংশে বেড়ে যায়।

আরো সহজ ভাবে বলা যায়: যদি আমরা একটি গান ডাউনলোড করতে চাই, তাহলে আমরা সাধারণত যে কাজটি করি তা হল google এ আমরা ঐ গানের লাইনটি লিখে search করি। এখন লক্ষ্য করুন আমরা search button press করার পর google কিছু website এর নাম দেখায় যেখানে আমরা ঐ গানটি পেতে পারি। এভাবে google প্রতি page এ ১০টি ওয়েরসাইটএর নাম দেখায়। এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে কেন কিছু সাইট প্রথম পেজে আসলো, আর কেনইবা বাকি ওয়েবসাইটগুলো পেছনের পেজে গেলো - google কি ইচ্ছা মত করছে নাকি এর পেছনে অন্য কোন কারণ আছে? নিশ্চয় প্রথমপেজের সাইটগুলোর মধ্যে বিশেষ কিছু আছে, যা অন্য সাইটগুলাতে নাই। এই বিশেষ কিছুই হল seo এর কৌশল, যার মাধ্যমে আপনিও আপনার ওয়েবসাইটটিকে প্রথম পেজে নিতে পারেন। আর প্রথম পেজ মানেই বেশি বেশি ভিজিটর।

seoতে যারা নতুন তারা Google Webmaster Guideline follow করতে পারেন। আপনি যদি বেসিক rules follow করেন তাহলে আপনাকে seo নিয়ে বেশি চিন্তা করতে হবে না। আমরা একটা ওয়েবসাইট বানাই ভিজিটরের জন্য, কাজেই আপনি যদি তারা যা জানতে চায়, তা যদি তাদের কাছে সঠিক ভাবে উপস্থাপন করতে পারেন, তাহলেই আপনার ৫০-৬০% seo হয়ে গেলো।

একজন ভিজিটর কেন search করে: হয় তারা কোন প্রশ্নের উত্তর খুজছে, বা তারা কোন সমস্যার সমাধান খুজছে অথবা তারা তাদের প্রয়োজন মেটাতে চায়। আপনি যদি আপনার সাইটের মাধ্যমে তাদের প্রশ্নের উত্তর, সমস্যার সমাধান বা তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য তাদের দিতে পারেন তাহলে আপনার আর কোন চিন্তা নেই।

seo কে সাধারণত ২ভাগে ভাগ করা হয়:

On Page Seo এবং
Off page seo.


On page seo: সহজভাবে বলা যায়, আপনি আপনার ওয়েবসাইট সর্ম্পকে যা বলছেন আর Off page seo হল অন্যরা আপনার সর্ম্পকে যা বলছে।

seo এর ব্যবহার:

ধরুন আপনার একটি Baseball বিষয়ক সাইট আছে যা বর্তমানে #১০ এ অবস্থান করছে। আপনি চাচ্ছেন কেউ যদি search engine এ "Baseball Cards" লিখে search করে তাহলে এটি #১ অবস্থানে দেখাবে - এটা করতে হলে আপনাকে ঐ সাইট এর seo করতে হবে। seo সাধারণত কোন popular search term বা keyword ব্যবহার করে করা হয়। এখন আপনি যদি seo করে আপনার Brand name কে উপরের দিকে নিতে চান এবং সফলও হন, তাহলেও এটিকে ঠিক seo বলা যায় না। কারণ search engine যথেষ্ট smart এবং se আপনার company name ও keyword কে খুব সহজেই আলাদা করতে পারে। আর প্রধান ব্যাপার হল, যে keyword এর জন্য যত প্রতিযোগীতা, সেই keywordএ rank করা তত কঠিন।

এই জন্য seo শুরু করার আগে কিছু planning করে নেয়া ভাল। ধরুন, আপনি একটি নতুন সাইট খুললেন, যে বিষয়ে আগে থেকেই লাখ লাখ প্রতিযোগী আছে, আর অন্য একজন একটা সাইট বানাল যে বিষয়ে হয়ত ১০০০টা সাইট আছে, এখন আপনিই বলুন কোথায় প্রতিযোগীতা করা সহজ হবে লাখের ভেতরে না হাজার এর ভিতরে?

এই কারণে সাইট এর সঠিক seo planning এর জন্য সঠিক keyword নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। keyword selection ঠিক না হলে আপনি আপনার কাঙ্খিত ফলাফল পাবেন না। কারণ কোন মানুষ যখন Search engine কোন কিছু খোজে তখন এই search term গুলো ব্যবহার করে। কাজেই আপনি যদি না জানেন যে মানুষ কি খুজছে, তাহলে আপনি কিভাবে তাদের প্রয়োজন পূরণ করবেন।

SEO Structure & Navigation

SEO Structure & Navigation

 SEO স্ট্রাকচার ও সাইট নেভিগেশন
 
লিংক স্ট্রাকচার খুব সহজ এবং বোধগম্য রাখুন যাতে সার্চ ইন্জিন এবং ইউজার উভয়েরই পড়তে এবং বুঝতে সুবিধা হয়। অনেক সময় দেখা যায় URL এমন থাকে যে বুঝাই যায়না এসময় ই্উজারের কপালে বিরক্তির ভাজ পড়তে পারে। সবচেয়ে ভাল, আপনি আইডি বা অবোধগম্য কোন প্যারামিটার URL এ ব্যবহারের চেয়ে এমন শব্দ জুড়ে দিন যেটা দেখেই যেন পেজ সমন্ধে একটা ধারনা হয়ে যায়। URL সার্চ রেজাল্টে সবার নিচে (টাইটেল এবং এরপর সারাংশের নিচে) দেখায়। URL এ সেশন আইডি বা অপ্রয়োজনীয় প্যারামিটার ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।

http://www.iconictbd.com/php-framework/mvc-structure

URL এ অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। আরেকটা গুরত্বপূর্ন বিষয় হচ্ছে প্রতিটি পেজের বা কনটেন্টের একটি মাত্র URL রাখা। একই পেজের যদি একাধিক URL থাকে সার্চ ইন্জিন কিন্তু আলাদা আলাদা পেজ মনে করে ফলে র‌্যাংকিংও সেভাবে দিয়ে থাকে । যদি দেখেন যে আপনার সাইটের একটা পেজের কয়েকটা URL তাহলে ৩০১ রিডাইরেক্ট একটা মেথড আছে এর মাধ্যমে সব URL কে একটা পছন্দনীয় URL এ নিতে পারেন। এই মেথডে htsccess ফাইলের মাধ্যমে এটা করা যায়। এজন্য এপাচি সার্ভারের এই ফাইলটিতে কোড লিখে এই পরিবর্তন আনতে পারেন। আর যদি ৩০১ রিডাইরেক্ট মেথড ব্যবহার না করেন তাহলে ক্যানোনিকাল URL ব্যবহার করতে পারেন।

URL এ ছোট হাতের অক্ষর ব্যবহার শোভনীয়,ছোট বড় হতের একসাথে করলে দেখতেও খারাপ লাগে,আসলে এটা এড়ানো উচিৎ।

হোম পেজ বা মুল পাতা ভিত্তিক নেভিগেশন তৈরী করুন। ইউজার যেন হোম পেজ থেকে আপনার সাইটের সব পেজে যেতে পারে এবং সে যেন বুঝতে পারে যে এখন কোন পেজে আছে। এজন্য breadcrumb এই পদ্ধতি ব্যবহার করুন।

ইউজার যদি URL এর কোন নির্দিষ্ট অংশ মুছে দিয়ে উপরের কোন ডিরেক্টরি বা পেজে যেতে চায় তাহলে যেন যেতে পারে। এখানে যেন 404 error page not found এসব ইরর না দেখায়। যেমন ইউজার যদি নিচের লোকেশনে থাকে এবং শেষের oophp টুকু ব্রাউজারের এড্রেসবার থেকে মুছে দেয় তাহলে যেন তার আগের পেজে চলে যায় কোন এরর মেসেজ দেখানো ছাড়াই।

সাইটের নেভিগেশনের জন্য অর্থ্যাৎ এক পেজ থেকে অন্য পেজে যাওয়ার জন্য টেক্সট লিংক ব্যবহার করুন এতে করে সার্চ ইন্জিন আপনার সাইটকে ভাল করে বুঝতে পারে। নেভিগেশন যদি জাভাস্ক্রিপ্ট,ফ্লাশ বা ড্রপডাউন মেনু দিয়ে করেন তাহলে অনেক সার্চ ইন্জিন এই পরিস্থিতিতে হয়রান হয়ে যায় অনেক সার্চ ইন্জিন পারেইনা crawl করতে।