Literature লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Literature লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Poem - স্বরচিত কবিতা (বেশ সূখেই আছি আমি)

Poem - স্বরচিত কবিতা (বেশ সূখেই আছি আমি)


Poem - স্বরচিত কবিতা (বেশ সূখেই আছি আমি)

বেশ সুখেই আছি আমি 
এস, আর লোটাস 
 
আজ তুমি কাছে নেই, 
বেশ সুখেই আছি আমি। 
কত শ্বাসন! কত রকম মান-অভিমান, 
কত অভিযোগ! বিশেষায়িতের ধারা! 
সব চুকে দিয়ে স্বাধিন করলে আমায়, 
স্বাধিকার হলে তুমি, 
আজ তুমি কাছে নেই, 
বেশ সুখেই আছি আমি। 
"সামনে দাঁড়িয়ে নাক খুটখুট করবে না, 
দাঁত খিলাল করতে হয় বাইরে গিয়ে করো, 
আর আমায় ছেড়ে দূরে গিয়ে মরো", বলতে তুমি। 
আজ তুমি কাছে নেই, 
বেশ সুখেই আছি আমি। 
"খবরদার পাশে শুয়ে নাক ডাকবে না, 
পাখা-আলো নিভিয়ে চুপচাপ শুয়ে পড়ো", 
এমনটি আর শুনতে ও বলতে হয় না বলে- 
বড্ড স্বাধিন আজ আমি ও তুমি। 
আজ তুমি কাছে নেই, 
বেশ সুখেই আছি আমি। 
"এত রাতে আসলে কেন? বাইরেই থাকতে!" 
ঘুমঘুম চোখে দ্বার খুলতে পারবে না বলে, 
কতই না রাঙা চোখের ভাষা বুঝতে হয়েছে, 
সেই বকবকানি বউ তুমি, 
আজ তুমি কাছে নেই, 
বেশ সুখেই আছি আমি। 
গরমের তাপাদহে ঘর্মাক্ত শরীরেই ঘরে ঢুকি, 
মূখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি, মাথায় ঝাঁকড়া চুল, 
বলার নেই তুমি, 
বড্ড স্বাধিন আজ আমি ও তুমি, 
আজ তুমি কাছে নেই, 
বেশ সুখেই আছি আমি। ক
নকনে শীতের সকালে গরম জল করে, 
শ্বাসন ভঙ্গিতে ঠেলে ঠেলে বাথরুমে পাঠানোর, 
নেই তুমি, আজ তুমি কাছে নেই, 
বেশ সুখেই আছি আমি। 
এতো সুখ, এতো স্বাধিনতার মাঝেও, 
ভারী একাকিত্বের চাপ নিয়ে কাঁদি, 
কি নেই যেন, অন্তঃসারশূন্য 
সুখের ঘেরা, এই আমি, 
আজ তুমি কাছে নেই, 
বেশ সুখেই আছি আমি।।

Poem- স্বরচিত কবিতা (আমার ছোট বোন)

Poem- স্বরচিত কবিতা (আমার ছোট বোন)

study point bd

আমার ছোট বোন
এস,আর লোটাস

আয়রে তোরা দেখবি যদি,
আমার ছোট বোন,
হঠাৎ পাওয়া বোনটি আমার,
জানি না কখন?
শুনবি তোরা? আমার বোনের,
গুণের যত কথা,
বলব না তা বললে তোদের,
মনে পাবি ব্যথা।
শুনবি তোরা? বোনের কথা,
নামটা তাহার কি?
বলব না ত আমি তোদের,
খুজে দ্যাখ দেখি।
কি হল ভাই যাচ্ছো কেন?
বলছো কেন চলি-
দাঁড়াও না ভাই বোনের যত,
গূণের কথা বলি।
হাটে যখন বোনটি আমার,
যেন ময়ূর পাখি,
রূপে-গূণে সেরা বোনটি,
পটল-চেড়া আঁখি।
কথাগুলি দারুন মিষ্টি,
লম্বা দেহ-খান,
কৃষ্ণ বরন লম্বা চুলে,
জুড়িয়ে যাবে প্রাণ।
শুনবি তোরা? বোনের কথা,
বলত সে কেমন?
হঠাৎ পাওয়া সে যে আমার,
বিরাট বড় মন।
লিখব কি আর গুনের কথা,
গুনের নাইকো শেষ,
তোদের কাছে যেমনি হোক সে,
আমার কাছে বেশ।
বোনটি আমার রাগ করে না,
মান করে না কভু,
রাগিয়ে যদি দেয় তাকে কেউ,
রাগ করে না তবু।
বুঝলে এবার? বোনটি আমার,
কত বড় মন?
কল্পনাতে ভাবছি সবি,
পাবো কি তেমন?
এই ত হলো রঙতুলিতে,
বোনের ছবি আঁকা,
দোয়া মাঙো তোমরা সবে,
পাই যেন তার দেখা।
Poem -স্বরচিত কবিতা (আহবান-০২)

Poem -স্বরচিত কবিতা (আহবান-০২)


আহবান-২
এস,আর লোটাস

পায়ে তোর ময়লা কত বল?
এখুনি গোসল দিবি চল।
সাত সকালে ছুড়লি কথা, দিলি ব্যথা,
কারে দিলি হাঁক?
পায়ে তোর ময়লা কত দ্যাখ?
তোর ছোড়া ঐ তীরের তরে, মূর্ছে পড়ে, 
নোনা জলের ঢেউ-
অরে দে গোসল করায় কেউ।
কোনবা ডোবায়, কারবা নৃপায়,
দিলি হিচকা টান-
অরে কেউ গোসল করায় আন।
শিকলমুক্ত কথার মাঝে, আজে-বাজে,
করিস কেন ছল?
পায়ে তোর ময়লা কত বল?
এখুনি গোসল দিবি চল।
পাছেলোকের মতন করে, যতন ঘিরে,
কারে বিধঁস বাঁধ-
ভেঙে দে সবধরনের বাঁধ।
করে নে গোসলেরই সাধ।
গোঁধুলীর ঐ ঈষাণ বেলায়, মানবতার অবহেলায়,
বাঁচবি কিরে বল?
এখুনি গোসল দিবি চল।
Poem-স্বরচিত কবিতাবলি (আমিও পারি)

Poem-স্বরচিত কবিতাবলি (আমিও পারি)


আমিও পারি
এস, আর লোটাস

আমিও পারি। তোমার রাঙা চোখের উপর চোখ রাঙাতে।
আমিও পারি। তোমার প্রশ্নের উত্তর তোমার মত করে দিতে।
আমিও পারি। ক ঘ্যাঁ শক্ত কথায় তোমায় কাঁদাতে।
আমিও পারি। তোমাদের মত করে হাসাতে।
আমিও পারি। হিজি-বিজি দু-লাইনে একটি কবিতা লিখতে।
আমিও পারি। তোমার সরলতার সুযোগ নিয়ে আড় চোখে তাকাতে।
আমিও পারি। তোমাদের মত করে অট্রহাসি হাসি হাসতে।
আমিও পারি যা তোমরা আজও পারনা,
আমি পারব না কারণ, আমি ত ভাই তুমি না।
Poem- স্বরচিত কবিতা (তুলনা করো)

Poem- স্বরচিত কবিতা (তুলনা করো)

তুলনা করো
এস, আর লোটাস

মুঠোফোনের ওপাশ থেকে,
ক্রিং ক্রিং শব্দে কল দিতে দিতে ক্লান্ত মনে,
আমাকে ভূল বোঝার দুয়ারে নীরব দাঁড়িয়ে,
বুঝে নিও,
আমি এপাশে তোমাতেই তোমাকে ঘিরে,
কবিতার ছন্দ মেলাতে মেলাতে ভূলেই গেছি,
হয়ত আমার দূরালাপনি বিরহে কেঁদে কেঁদে,
পরিশ্রান্ত প্রিয়।
যখন তোমার প্রতি আমার রুঢ় ব্যবহার-
তোমাকে রিষ্ট পিষ্ট করে মনের কুটিরে-
কড়াঘাত করে কাঁদায় তোমায়,
মনে করবে,
তার চেয়ে ঢের বেশী ভালবাসার চাদর দিয়ে,
আগলে রেখে আদর মাখা চুমুতে তোমায়,
শীতল করেছি কোন এক গ্রীস্মের মাঝরাতে,
বসে ভাববে।
যখন আমার কথায় কষ্ট পেয়ে আড়ালে গিয়ে,
মুখ লুকিয়ে ফোঁৎ ফোঁৎ করে কাঁদতে চাইবে,
"আর কথা বলব না" সিদ্ধান্তে দাঁড়ানোর আগে,
ক্ষমা করো,
কত শত খুঁটিনাটি রঙ তামাশায় আর,
হাসি আল্লাদে তোমাকে হাসাতে চেয়েছি,
তোমার হাতে ফোসকা পড়া দেখে আমিও কেঁদেছি,
স্মরণ করো।
যখন আমার নোংরামি আর ব্যক্তিত্বহীনতা,
তোমাকে পীড়িত করে, "লোক সমাজে,
মুখ দেখাবো কেমন করে?" ভেবে, 
সরে দাড়াও,
তখন ভেবে নিও প্রিয় আমার হাজারো দোষের মাঝে,
অতি সূক্ষ্ম কোন এক বিশেষণে বিশেষিত হয়ে,
তব আত্নার সাথে বিঁধেছিলে এ প্রাণ,
কভু না হারাও।
যখন তোমার আমার দোষ-গুণ তুল্য করতে গিয়ে,
গুণে ভরা তুমি জিতে আমাকে পদদলিত-
করার ইচ্ছেয় উম্মাদনার স্বাদ উঁকি দেয়,
নিজেকে গড়ো,
বড়-ছোট, কষ্ট-হাসির সব ভেদাভেদ ভূলে,
আমি তোমাতে, তুমি আমাতে মিশে একাকার,
সমতার এক নব্য সিলেবাসের ইতিহাস গড়ি তুমি-আমি,
এসে পড়ো।
Poem- স্বরচিত কবিতা (আহবান)

Poem- স্বরচিত কবিতা (আহবান)


আহবান
এস,আর লোটাস

অরে অ পথভ্রষ্ট ক্রন্দিল যুবা,
চলো অগ্রে পিছু গুড়ে,
করো মানব হয়ে,
মানবের সেবা।
তুমি ক্রন্দিবে কেন?
তুমি কাঁদিলে কাঁদিবে বিশ্ব,
নিঃস্ব হবে সবি ফের,
তুমি ত দিশারী যতীকের।
তুমি ত ধারক, বাহক, আহবায়ক,
পতাকাধারী রণে,
তুমি ত বাদ্য নিজেই, বাদক নও,
বাজবে ঝনো ক্ষণে।
তুমি নও দিশেহারা, হন্ন-পথিক,
তুমি যে পথিকের' ই পথ,
জাত-জাতি সমেদ মানববাহী,
টানারী যুবা রথ।
তুমি ত কাণ্ডারি রণতরী,
আপন ভ্যেপু বাজাও ক্ষণেক,
সবে খুজবে তোমায়,
দীপ্তক, আড়মোড়া, জনেক
Poem- স্বরচিত কবিতা (সেলফি)

Poem- স্বরচিত কবিতা (সেলফি)


সেলফি?
এস,আর লোটাস

সেলফি যেন সেলফিশ,
মূখটা টেরা-ব্যাঁকা,
মূখের আসল রূপ হারিয়ে,
হয়রে ব্যাঁকা-চ্যাকা।
মূখ-চোখটা ব্যাঁকা করে,
সেলফি তোল খিস,
গরুর মত দেখায় তখন,
দেখতে যদি ঈশ।
খোদার দেয়া রূপ্টাকে রে,
করছো কেমন বাজে,
আসল রূপটা পায়ে ঠেলে,
নকল রূপে সাজে।
মানব রূপখান ছেড়ে কেন,
বানরের বেশ ধরো?
সেলফি নামের কুলফি ফটো,
কেনই রে ভাই তোলো?
রূপ তোমারি যেমন আছে,
তেমনটাই ত বেশ,
সেলফি, টেলফি, কুলফি তুলে,
করো না তা শেষ।
Poem - স্বরচিত কবিতা (আমি কে?)

Poem - স্বরচিত কবিতা (আমি কে?)


আমি কে?
এস,আর লোটাস

আমি আমি করিস সবাই,
বল ত আমি কে?
এই দুনিয়ার মাঝে বল ত,
আমার কি আছে?
আমিই নাকি অন্য কারো,
আমার আছে কে,
কত নামে ডাকে সবে,
এই যে আমাকে।
বাবা বলে, "আমার ছেলে" 
মা ও বলে তাই,
ভাইয়া এবং আপা বলে,
এ যে আমার ভাই।
বন্ধুরা সব বন্ধু বলে,
বউ বলে যে স্বামী,
ছেলে আবার বাবা বলে,
ভাবছি কে আমি?
আমিই নাকি কারো ছেলে,
আমার ছেলে কে?
অভিনয় সব করছি রোজ'ই
আমার কি আছে?
এসেছিনু এই ভবেতে,
একা শুন্য হাতে,
যাবার বেলায় একাই যাব,
কেউ যাবে না সাথে।
তবে কেন আমার আমার,
বলছি বোকার মত,
আমার বলে কিছুই ত নাই,
সবি হবে গত।
আমার এটা, আমার ওটা,
সবি মিছা ছল,
সবার মাঝেই আছি আমি,
আমিই কে তা বল?
মামা, কাকা, খালু, জ্যাঠা
ডাকে আমাকে,
কত জনকে জিগায় বলি,
বলত আমি কে?
Poem - স্বরচিত কবিতা (জীবনের কাঠগড়ায়)

Poem - স্বরচিত কবিতা (জীবনের কাঠগড়ায়)


জীবনের কাঠগড়ায়,
এস, আর লোটাস

জীবনের কাঠগড়ায় নিজেকে দাঁড় করালাম আজ,
দেখি হাজারো ফাঁসির রায় আমার জন্য,
ক'টাতেই বা আপিল করা যেত নিজেকে নির্দোষ করতে,
হত কি আর লঘু শাস্তি আমার? হতেম ধন্য।
আজ নিজেই বিচারপতি, নিজের বিচারক নিজেই,
তবু কেন পারছি না বাঁচাতে মোরে? 
Poem- স্বরচিত কবিতা (আমি পারব না গুরু)

Poem- স্বরচিত কবিতা (আমি পারব না গুরু)


আমি পারব না গুরু
এস, আর লোটাস

আমি পারব না গুরু,
নিজের কালিমালিপ্ত দেহে তোমার সামনে বেহায়ার মত দাঁড়াতে,
আমি পারব না গুরু,
তোমাকে আরো কাছে পেতে নিজেকে ভ্রান্ত-মোড়কে সাজাতে।
আমি পারব না গুরু,
নিজের স্বরাজ্ঞানকে ধরাজ্ঞানে রাঙাতে,
আমি পারব না গুরু,
আপন শূন্য কলসে বাজনা বাজাতে
আমি পারব না গুরু,
সাধু-সন্নাসীর বেশে ভন্ডরুপে খন্ড মানিক কুড়াতে,
আমি পারব না গুরু,
বাড়নকৃত পন্থানুসরণে গুরু-দর্শন লাভের নামে সকলি দ্বায় এড়াতে। 
আমি পারব না গুরু,
ভালবাসি-ভালবাসি বলে ভালবাসার আঙ্গিক রসনা হারাতে।
আমি পারব না গুরু,
কুঁড়েদের দলে থেকে সঙ সেজে ভালাবাসার ঢং দেখাতে।
আমি পারব না গুরু,
রাতারাতি আঙুর ফুলে কলাগাছ বনে যেতে,
আমি পারব না গুরু,
ওদের মত সহজলভ্য করে তোমায় ভজিতে।
আমি পারব না গুরু,
প্রয়োজনে করব আবার শুরু থেকে শুরু,
আমি পারব গো গুরু,
তোমায় স্মরিতে প্রতিক্ষণে সন্ত্রস্ত হয়ে হে কাহারু।
Poem - স্বরচিত কবিতা (আসল ধর্ম)

Poem - স্বরচিত কবিতা (আসল ধর্ম)

আসল ধর্ম
এস, আর লোটাস

                (ক)
ধুর শালা তুই হিন্দু মানুষ,
ধুর শালা তুই যা না,
আজকে থেকে মোদের সাথে,
মিশতে দিলাম মানা।
ধুর শালা তুই খৃষ্টান জাতি,
ধুর শালা তুই ভাগ,
মিশবি না আর এই সমাজে,
তোর সমাজেই থাক।
ধুর শালা তুই বৌদ্ধভিক্ষু,
ধুর শালা পথ ছাড়,
চলবি না তুই আমার সাথে,
মিশবি না তুই আর।
ধুর শালা তুই মুসলমান জাত,
ধুর শালা তুই পালা,
থাকবি না তুই মোদের মাঝে,
ভিন্ন হোক তোর চলা।
                 (খ)
শিখলি কোথা এমন দীক্ষা, 
আছে কি তোর ধর্মে?
মানব ধর্মই সবচেয়ে বড়,
ধর্ম ত তোর কর্মে।
কিসের হিন্দু, কে মূসলমান?
বৌদ্ধ-খৃষ্ট কেবা,
সোনার মানুষ হইতে গেলে,
কর মানুষের সেবা।
ভজলে মানুষ হইবি মানুষ,
মানুষটা হ আগে,
ভজলে মানব মিলবে খোদা,
মুক্তি মিলবে ভাগে।
ধর্ম-বর্ণের বেদ ভেদাভেদ,
আমার তোদের গড়া,
সাদাকালোর তফাৎকারী,
এই আমি আর তোরা।
বেদ ভেদাভেদ ধুলোয় ছুড়ে,
ঠিক করে নে কর্ম,
সত্য, হক আর মানব সেবা,
এটাই আসল ধর্ম।
Poem - স্বরচিত কবিতা (অভিযোগ)

Poem - স্বরচিত কবিতা (অভিযোগ)

অভিযোগ
এস, আর লোটাস

গোলাপ হাতে করি আসিলে মোর দ্বারে,
না জানি প্রত্যয় ইহার, গোলাপসুদ্ধ গেলে ফিরে।
গোলাপের প্রাপক আমি নাইবা হলাম,
তোমার কমল হাতের ছোয়া নাইবা পেলাম।

শুধু এ টুকু বাসনা জাগে মনে,
তুমি মোরে গভীর অনুতাপে ধাক্কা দিয়ে,
কোথা হতে, কোথা যাও? কার সনে?
যাও যাবে যাও নেই তাতে বেদনা-
বেদনার নাও? সে ত কবেই ভাসিয়েছি,
তুমি জানো কি-
তোমায় হারিয়ে আমি কতটা বদলে গিয়েছি?
Poem -স্বরচিত কবিতা (ময়লা)

Poem -স্বরচিত কবিতা (ময়লা)


ময়লা
এস, আর লোটাস

            (ক)
ছিঃছি ছিঃছিঃ আহ দূরে যা,
দূরেই গিয়ে দাঁড়া,
ময়লা কাঁদা শরীর নিয়ে,
ঐখানে তুই খাড়া।
হায় মরেছি! ছুইবি নাকি?
নোংরা হাতে আমায়,
উহঃ জ্বালা মোর! ঘৃনায় মরি,
ময়লা কি! তোর জামায়।
হাতটা কাল, পায়েও কাঁদা,
ঝড়ছে গায়ে ঘাম,
যা ধুয়ে আয়, গোসল করে,
এখন তবে থাম।
তোর শরীরের ময়লা আমার-
নোংরা করছে মেঝে,
এত নোংরা হস কি করে?
মর না গিয়ে লাজে।
            (খ)
আমি কি আর মরব বাছা!
তুমি ত আধা মরা,
বাইরের ময়লা দেখেই তুমি,
হইলে এত কড়া?
আমার ত ভাই পায়েই কাঁদা,
তোমার ত মন জুড়ে,
এই কারনে বারো আনায়,
গিয়েছো ত মরে।
পরিস্কারটা করো আগে,
বুকের মাংস পিন্ড,
নইলে তুমি কিসের সাধু,
আস্ত একটা ভন্ড।
মন মাঝারে থাকলে কাঁদা,
বাঁচন নাই তোমার,
ময়লামুক্ত মনকে গড়া,
সবার গুরু ভার।
ভিতরটা যার পরম খাঁটি,
তাঁকে খোদায় ভালবাসে,
ভিতর করো ময়লাবিহীন,
বাইরে কি যায় আসে?
চর্ম গায়ে লাগলে ধুলো,
সবার চোখে পড়ে,
হৃদ গারদের ময়লে খুজে,
পাক করো আপনারে।
ময়লা দেখে নাক না শিটে,
ময়লামুক্ত হও,
নিজেকে পাক করার পরে,
অপরকে তা কও।
Poem - স্বরচিত কবিতা (শশুড়বাড়ী)

Poem - স্বরচিত কবিতা (শশুড়বাড়ী)


শুশুড় বাড়ি
এস, আর লোটাস

যাচ্ছো কোথায়?
ময়রার বাড়ী,
কিনবে কি তা?
রসের হাঁড়ি।
কোথায় নিবে?
শশুড় বাড়ী,
আর কি নিবে?
পান সুপারী।
শুধুই কি তাই?
ফলের ঝুড়ি,
বউটি কোথায়?
বাপের বাড়ী।

আনতে যাচ্ছো?
হ' ব্যাপারী,
যাচ্ছ কবে?
হচ্ছে দেরী।
ফিরবে কবে?
কাল ব্যাপারী,
প্রথম যাচ্ছ?
জ্বি ব্যাপারী।
আমিও যাব?
না ব্যাপারী,
যাচ্ছ ক' জন?
একাই পারি।
এখন যাবে?
তাই ত বলি,
ঠিক আছে যাও,
আচ্ছা চলি।